---আমি মস্ত বড় একটি খারাপ কাজ করে ফেলেছি। (মেয়ে)
--- কি খারাপ কাজ? (আমি)
--- আমার কারনে আজ একটি ছেলের জীবন নষ্ট হতে যাচ্ছে?
--- কেন? কি করেছো তুমি?
--- ফেইসবুকে একটি ছেলে আমাকে প্রেম নিবেদন করেছিল, আমি কি মনে করে যেন রাজী হয়ে গিয়েছিলাম।
কথাগুলো আমার আর একটি মেয়ের। আমার সাথে মেসেজে কথাগুলো বলার সময়ও মেয়েটি সেই ছেলেকে বুঝানোর চেষ্টা করছিল। যে ছেলেটি মেয়েটির প্রেমে সাড়া পেয়ে পাগল দিওয়ানা হয়ে গিয়েছে।
মেয়েটির সাথে ছেলেটির পরিচয় ফেইসবুকের মাধ্যমে। বন্ধুত্বের পর ছেলেটি মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করে। মেয়েটি বলেছিল, তোমাকেও আমার ভাল লাগে। তবে তোমার সাথে প্রেম করতে পারব, কথা বলতে পারব। কিন্তু তোমাকে বিয়ে করা অামার পক্ষে সম্ভবনা। যেহেতু অামরা দুইজন দুই ধর্মের। ছেলেটি মেনে নিয়েছিল। ছেলেটি মেয়েটিকে কিছুতেই হারাতে চায়ননা। হয়তো সেজন্যই ছেলেটি মেয়েটির এরকম প্রস্তাবেও রাজী হয়েছিল।
কিন্তু প্রেম মানেনা বাঁধা। প্রেম মানেনা জাতী ধর্ম। দুটি মনের সুপ্ত অাকাঙ্খা, অাত্মিক সেতু বন্ধন প্রেম ভালবাসায় রূপান্তরিত করে। তাই ছেলে ও মেয়ে জড়িয়ে পড়েছে প্রেম ভালবাসার গভীরতর বন্ধনে।
মেয়েটি অামাকে মেসেজে বলতেছে, এই প্রেম প্রেম খেলা করাটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। অামি এই খেলা থেকে মুক্তি চাই। এখন হয়তো দুজনেই কষ্ট কম পাব, কিন্তু দিন যত যাবে ততই আমাদের কষ্ট দিন দিন বাড়তে থাকবে। কারন অামার পক্ষে ধর্ম পরিবর্তন সম্ভব নয়।
অামিও বলেছিলাম, সত্যিই তোমার ভুল ছিল। নয়তো প্রেমে জড়ানোর আগেই বিষয়টা ভেবে দেখার দরকার ছিল। তবুও যদি মনে করো ভবিষ্যতে দুজনের জীবন হবে হুমকির সম্মুখীন তাহলে এখনই পিছিয়ে আসা ভাল।
মেয়েটি আমাকে জবাব দিল, ছেলেটি এখনই মদের বোতলের ছবি তুলে পাঠিয়েছে। হোয়াটসএ্যাপে ফোন দিয়ে ডগডগ করে মদ খাওয়ার শব্দ শুনিয়েছে। এই অবস্থায় পিছিয়ে যাব কিকরে? অার অামার পক্ষে ধর্ম পরিবর্তন করাও সম্ভবনা।
অামি মেয়েটিকে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারিনি। ব্যাখ্যাও খুঁজে বের করতে পারিনি।
.
গত আটই এপ্রিল রাত সাড়ে বারোটার ঘটনা। টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূর ঘর থেকে পরপুরুষ বের হতে দেখা গেছে। আর ঘরের দরজা খুলে দিয়েছে গৃহবধূটি নিজেই। গৃহবধূর স্বামী থাকে বিদেশে। পনেরো দিন পর দদেশে আসবে। অাশেপাশের ঘরসহ পরিচিতরা সবাই জানার তিন ঘন্টা পর পর্যন্ত স্তব্ধ হয়ে থেকেছে। কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে? গৃহ বধূর বাবা মা সহ গার্ডিয়ান পক্ষকে ডেকে আনা হয়েছে রাতেই। তাদের কাছে গৃহবধূকে দিয়ে বিদায় করতে চেয়েছিল ছেলে পক্ষ। কিন্তু গৃহবধূ মরতে রাজী, কিন্তু স্বামীর ভিটা ছাড়তে রাজী নয়। গৃহবধূর সীকারোক্তি, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তার ঘরে কোন পরপুরুষ ছিলনা।
তাহলে কি গৃহবধূর ঘরে চোর ঢুকেছিল? কিন্তু গৃহবধূই কেন দরজা খুলে দিবে?
তাহলে একটু ভেবে দেখা যাক। সন্ধারাতে গ্রামের সেই গৃহবধূ ও আশেপাশের মানুষ যখন বাইরে কাজে বা কথায় মশগুল ছিল, তখন চোরটি সুযোগ বুঝে ঘরে ঢুকে খাটের নীচে লুকিয়ে ছিল। গৃহবধূ যখন প্রাকৃতিক ডাকে বাইরে বের হওয়ার জন্য দরজা খুলল তখন চোরটি সুযোগ বুঝে পালিয়ে গেল। প্রত্যক্ষদর্শী চোরকে পরপুরুষ ভেবে নিল। তার মানে দাড়াচ্ছে গৃহবধূটি নির্দোশ।
কিন্তু প্রশ্ন আরেকটি থেকে যায়। গৃহবধূর ঘর থেকে কিন্তু কোন কিছু চুরি যায়নি। তাহলে কি স্বামী বিদেশ থাকার কারনে সত্যিই পরপুরুষের সাথে সম্পর্ক ছিল গৃহবধূটির???
এই ঘটনারও কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
.
একটি মেয়ে হাসান নামের এক ছেলেকে অনেক ভালবাসত। হাসানও ভালবাসত মেয়েটিকে। কিন্তু যখন মেয়েটির বাবা মা মেয়েটির বিয়ে ঠিক করে ফেলে তখন মেয়েটি হাসানকে বলেছিল তুমি আমাকে ভুলে যাও। হাসান বলেছিল ভুলব কেন? চলো আমরা পালিয়ে যাই। মেয়েটি বলল বাবা মায়ের মুখে চুন কালি মেখে আমি তোমার সাথে পালাতে পারবনা। হাসান মনে মনে ভেবে নিল, মেয়েটা নিশ্চয় ডাক্তার স্বামী পেয়ে হাসানের সাথে প্রতারণা করেছে। কিন্তু সেই মেয়েটিরও সংসার টিকেনি।
মেয়েটি প্রচন্ড উপন্যাস পড়ার প্রতি দুর্বল ছিল। মেয়েটির স্বামী একদিন আবিষ্কার করল কয়েকটা বইরের ভেতর মেয়েটির নামের সাথে অন্য ছেলের নাম লিখা। পেয়েছিল ভালবাসা ভিত্তিক ছোট ছোট কয়েকটা চিরকুটও। তখনও মেয়েটির সংসার ভাঙ্গেনি। সংসার ভেঙ্গেছে, মেয়েটির স্বামী একদিন কৌতূহল বশত মেয়েটির গলার রকেট খুলেছিল। মেয়েটি ছিল গভীর নিদ্রায় নিদ্রিত। আর মেয়েটির স্বামী আবিষ্কার করল মেয়েটির গলার রকেটের লাভের ভিতরে একপাশে মেয়েটির ছবি আর অন্যপাশে অন্য একটি ছেলের ছবি। সেই সম্পর্কটা আর টিকলনা, মেয়েটিকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল।
এখানেও একটি প্রশ্ন, তাহলে কি মেয়েটি তখনও সেই ছেলেটিকে ভালবাসত?
.
প্রেম মানুষের জীবনে অাসে খুব সহজেই। আবার নিতান্ত্যই সাধারন কারনে প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু নষ্ট হওয়ার পরে বা আগে দুটি মনের ভিতর যে ভালবাসা থাকে সেটার ব্যাখ্যা পাওয়া খুবই মুশকিল। ছোটবেলায় দেখতাম অনেকেই বিভিন্ন পোস্টার এনে ঘরে টাঙ্গিয়ে দিত। একটি পোস্টারের উপরে লিখা দেখেছিলাম, "স্বর্গ থেকে আসে প্রেম স্বর্গেই যায় চলে। তবে বর্তমান যুগে প্রেম স্বর্গে না গিয়ে কোথায় যায় সেটা সবারই জানা। পরিশেষে কথা একটাই। বিভিন্ন ঘটনার ব্যাখ্যা খুজে পাওয়া যেতে পারে। তবে ঘটনার লুকায়িত মানুষের মনে ভালবাসার কোন ব্যখ্যা হয়না, মনের মত হয়না।
পৃথিবী হেসে উঠুক ভালবাসার গভীরতর বন্ধনে।
--- কি খারাপ কাজ? (আমি)
--- আমার কারনে আজ একটি ছেলের জীবন নষ্ট হতে যাচ্ছে?
--- কেন? কি করেছো তুমি?
--- ফেইসবুকে একটি ছেলে আমাকে প্রেম নিবেদন করেছিল, আমি কি মনে করে যেন রাজী হয়ে গিয়েছিলাম।
কথাগুলো আমার আর একটি মেয়ের। আমার সাথে মেসেজে কথাগুলো বলার সময়ও মেয়েটি সেই ছেলেকে বুঝানোর চেষ্টা করছিল। যে ছেলেটি মেয়েটির প্রেমে সাড়া পেয়ে পাগল দিওয়ানা হয়ে গিয়েছে।
মেয়েটির সাথে ছেলেটির পরিচয় ফেইসবুকের মাধ্যমে। বন্ধুত্বের পর ছেলেটি মেয়েটিকে প্রেম নিবেদন করে। মেয়েটি বলেছিল, তোমাকেও আমার ভাল লাগে। তবে তোমার সাথে প্রেম করতে পারব, কথা বলতে পারব। কিন্তু তোমাকে বিয়ে করা অামার পক্ষে সম্ভবনা। যেহেতু অামরা দুইজন দুই ধর্মের। ছেলেটি মেনে নিয়েছিল। ছেলেটি মেয়েটিকে কিছুতেই হারাতে চায়ননা। হয়তো সেজন্যই ছেলেটি মেয়েটির এরকম প্রস্তাবেও রাজী হয়েছিল।
কিন্তু প্রেম মানেনা বাঁধা। প্রেম মানেনা জাতী ধর্ম। দুটি মনের সুপ্ত অাকাঙ্খা, অাত্মিক সেতু বন্ধন প্রেম ভালবাসায় রূপান্তরিত করে। তাই ছেলে ও মেয়ে জড়িয়ে পড়েছে প্রেম ভালবাসার গভীরতর বন্ধনে।
মেয়েটি অামাকে মেসেজে বলতেছে, এই প্রেম প্রেম খেলা করাটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল। অামি এই খেলা থেকে মুক্তি চাই। এখন হয়তো দুজনেই কষ্ট কম পাব, কিন্তু দিন যত যাবে ততই আমাদের কষ্ট দিন দিন বাড়তে থাকবে। কারন অামার পক্ষে ধর্ম পরিবর্তন সম্ভব নয়।
অামিও বলেছিলাম, সত্যিই তোমার ভুল ছিল। নয়তো প্রেমে জড়ানোর আগেই বিষয়টা ভেবে দেখার দরকার ছিল। তবুও যদি মনে করো ভবিষ্যতে দুজনের জীবন হবে হুমকির সম্মুখীন তাহলে এখনই পিছিয়ে আসা ভাল।
মেয়েটি আমাকে জবাব দিল, ছেলেটি এখনই মদের বোতলের ছবি তুলে পাঠিয়েছে। হোয়াটসএ্যাপে ফোন দিয়ে ডগডগ করে মদ খাওয়ার শব্দ শুনিয়েছে। এই অবস্থায় পিছিয়ে যাব কিকরে? অার অামার পক্ষে ধর্ম পরিবর্তন করাও সম্ভবনা।
অামি মেয়েটিকে কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারিনি। ব্যাখ্যাও খুঁজে বের করতে পারিনি।
.
গত আটই এপ্রিল রাত সাড়ে বারোটার ঘটনা। টাঙ্গাইলে এক গৃহবধূর ঘর থেকে পরপুরুষ বের হতে দেখা গেছে। আর ঘরের দরজা খুলে দিয়েছে গৃহবধূটি নিজেই। গৃহবধূর স্বামী থাকে বিদেশে। পনেরো দিন পর দদেশে আসবে। অাশেপাশের ঘরসহ পরিচিতরা সবাই জানার তিন ঘন্টা পর পর্যন্ত স্তব্ধ হয়ে থেকেছে। কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে? গৃহ বধূর বাবা মা সহ গার্ডিয়ান পক্ষকে ডেকে আনা হয়েছে রাতেই। তাদের কাছে গৃহবধূকে দিয়ে বিদায় করতে চেয়েছিল ছেলে পক্ষ। কিন্তু গৃহবধূ মরতে রাজী, কিন্তু স্বামীর ভিটা ছাড়তে রাজী নয়। গৃহবধূর সীকারোক্তি, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তার ঘরে কোন পরপুরুষ ছিলনা।
তাহলে কি গৃহবধূর ঘরে চোর ঢুকেছিল? কিন্তু গৃহবধূই কেন দরজা খুলে দিবে?
তাহলে একটু ভেবে দেখা যাক। সন্ধারাতে গ্রামের সেই গৃহবধূ ও আশেপাশের মানুষ যখন বাইরে কাজে বা কথায় মশগুল ছিল, তখন চোরটি সুযোগ বুঝে ঘরে ঢুকে খাটের নীচে লুকিয়ে ছিল। গৃহবধূ যখন প্রাকৃতিক ডাকে বাইরে বের হওয়ার জন্য দরজা খুলল তখন চোরটি সুযোগ বুঝে পালিয়ে গেল। প্রত্যক্ষদর্শী চোরকে পরপুরুষ ভেবে নিল। তার মানে দাড়াচ্ছে গৃহবধূটি নির্দোশ।
কিন্তু প্রশ্ন আরেকটি থেকে যায়। গৃহবধূর ঘর থেকে কিন্তু কোন কিছু চুরি যায়নি। তাহলে কি স্বামী বিদেশ থাকার কারনে সত্যিই পরপুরুষের সাথে সম্পর্ক ছিল গৃহবধূটির???
এই ঘটনারও কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
.
একটি মেয়ে হাসান নামের এক ছেলেকে অনেক ভালবাসত। হাসানও ভালবাসত মেয়েটিকে। কিন্তু যখন মেয়েটির বাবা মা মেয়েটির বিয়ে ঠিক করে ফেলে তখন মেয়েটি হাসানকে বলেছিল তুমি আমাকে ভুলে যাও। হাসান বলেছিল ভুলব কেন? চলো আমরা পালিয়ে যাই। মেয়েটি বলল বাবা মায়ের মুখে চুন কালি মেখে আমি তোমার সাথে পালাতে পারবনা। হাসান মনে মনে ভেবে নিল, মেয়েটা নিশ্চয় ডাক্তার স্বামী পেয়ে হাসানের সাথে প্রতারণা করেছে। কিন্তু সেই মেয়েটিরও সংসার টিকেনি।
মেয়েটি প্রচন্ড উপন্যাস পড়ার প্রতি দুর্বল ছিল। মেয়েটির স্বামী একদিন আবিষ্কার করল কয়েকটা বইরের ভেতর মেয়েটির নামের সাথে অন্য ছেলের নাম লিখা। পেয়েছিল ভালবাসা ভিত্তিক ছোট ছোট কয়েকটা চিরকুটও। তখনও মেয়েটির সংসার ভাঙ্গেনি। সংসার ভেঙ্গেছে, মেয়েটির স্বামী একদিন কৌতূহল বশত মেয়েটির গলার রকেট খুলেছিল। মেয়েটি ছিল গভীর নিদ্রায় নিদ্রিত। আর মেয়েটির স্বামী আবিষ্কার করল মেয়েটির গলার রকেটের লাভের ভিতরে একপাশে মেয়েটির ছবি আর অন্যপাশে অন্য একটি ছেলের ছবি। সেই সম্পর্কটা আর টিকলনা, মেয়েটিকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিল।
এখানেও একটি প্রশ্ন, তাহলে কি মেয়েটি তখনও সেই ছেলেটিকে ভালবাসত?
.
প্রেম মানুষের জীবনে অাসে খুব সহজেই। আবার নিতান্ত্যই সাধারন কারনে প্রেমের সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু নষ্ট হওয়ার পরে বা আগে দুটি মনের ভিতর যে ভালবাসা থাকে সেটার ব্যাখ্যা পাওয়া খুবই মুশকিল। ছোটবেলায় দেখতাম অনেকেই বিভিন্ন পোস্টার এনে ঘরে টাঙ্গিয়ে দিত। একটি পোস্টারের উপরে লিখা দেখেছিলাম, "স্বর্গ থেকে আসে প্রেম স্বর্গেই যায় চলে। তবে বর্তমান যুগে প্রেম স্বর্গে না গিয়ে কোথায় যায় সেটা সবারই জানা। পরিশেষে কথা একটাই। বিভিন্ন ঘটনার ব্যাখ্যা খুজে পাওয়া যেতে পারে। তবে ঘটনার লুকায়িত মানুষের মনে ভালবাসার কোন ব্যখ্যা হয়না, মনের মত হয়না।
পৃথিবী হেসে উঠুক ভালবাসার গভীরতর বন্ধনে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন